Translate

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৬

পৃথিবীর সব ধর্মের চেয়ে মানবতা ধর্মই শ্রেষ্ট।

মানবিকতা, মনুষ্যত্যই মানুষের একমাত্র ধর্ম। বাকী ধর্মগুলো মানুষের দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। তাই পৃথিবীর সব ধর্মের চেয়ে মানবতা ধর্মই শ্রেষ্ট।

শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৬

চলো আমরা মানবিক ধর্মের অনুসারী হয়ে যাই। এবং মানবতার চর্চা করি!

আমি যদি তোমাকে প্রশ্ন করি আমার আর তোমার মধ্যে শারীরিক কোন পার্থক্য দেখাতে পারবে? তখন তুমি কিন্তু কোন পার্থক্য দেখাতে পারবে না। তবে কেন নিজেকে হিন্দু মুসলিম, খ্রিস্টান বৌদ্ধ ইত্যাদি ভাগে ভাগ হয়ে গেছে? তাকিয়ে দেখ আমাদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। তাই পরস্পরের মধ্যে বিভেদ তৈরী করার কোন কারণই নেই। তাই চল আমরা এক গোষ্টিতে আবদ্ধ হই। চলো আমরা মানবিক ধর্মের অনুসারী হয়ে যাই। এবং মানবতার চর্চা করি!

বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৬

ধর্মকে বিলুপ্ত করতে পারলেই কেবল আমাদের এই পৃথিবী স্বর্গের পৃথিবী হতে পারবে।

আমি নাস্তিক এবং আমি অবশ্যই ধর্মবিরোধী। ধর্মহীন হওয়ার সুবাদে আমি খুব ভালো করেই জানি যে ধর্মগুলো সত্য নয় বরং মিথ্যার সমূদ্র। আর তাই আমি জানি যে ধর্মগ্রলো শুধু পৃথিবীকে মিথ্যার অন্ধকারেই ঢুবিয়ে রাখেনি উপরন্তু ধর্ম মানুষকে কুসংস্কারাচ্ছন্ন এবং অন্ধবিশ্বাসী গোলাম বানিয়ে রেখেছি। এমনকি ধর্ম মানুষের বিজ্ঞান চর্চার প্রধান বাধা। ধর্মের সাথে এক রকম যুদ্ধ করে করে বিজ্ঞানকে আজকের অবস্থানে আসতে হয়েছে। এখনও মিথ্যার পোষক ধর্মগুলো বিজ্ঞানের পথে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। যতদিন পৃথিবীতে ধর্ম থাকবে ততদিন বিজ্ঞান তার পথে ধর্মকে বাধা হিসেবেই পাবে। তাই পৃথিবীর সমস্ত মানুষের জন্য এবং বিজ্ঞানের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য মিথ্যার পুজারী ধর্মগুলোকে বিলুপ্ত করে দিতে হবে। তবেই আমাদের এই পৃথিবী হবে স্বর্গের পৃথিবী।

আমিও কি আস্তিক?

পৃথিবীর সব ধর্মের অনুসারীরা (আস্তিকরা) মাত্র একটি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে। যদিও পৃথিবীতে ঈশ্বরের সংখ্যা কয়েক হাজার।
আর আমি, যদিও পৃথিবীতে হাজার হাজার ঈশ্বর রয়েছে তবু্ও আমি ধার্মিক আস্তিকদের থেকে মাত্র একটি ঈশ্বকে কম বিশ্বাস করি।
তাহলে আমিও নিশ্চয় আস্তিক?

বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৬

ঈশ্বর ডেকে বললো

ঈশ্বর হিন্দু মালুকে ডেকে বললো- তুমি আমার কথা অমান্য করেছে তাই তুমি নরকে যাও। হিন্দু মালু কাঁদতে কাঁদতে নরকে চলে গেল।

ঈশ্বর মুসলিম মালুকে ডেকে বললো- তুমি আমার কথা অমান্য করেছে তাই তুমি জাহান্নামে যাও। মুসলিম মালু কাঁদতে কাঁদতে জাহান্নামে চলে গেল।

ঈশ্বর খ্রিস্টান মালুকে ডেকে বললো- তুমি আমার কথা অমান্য করেছে তাই তুমি দোযকে যাও। খ্রিস্টান মালু কাঁদতে কাঁদতে দোযকে চলে গেল।

ঈশ্বর নাস্তিককে ডেকে পাঠালো, আর বললো- তুমি গবেষনা করে যেখ স্বর্গ নরক ঠিক ভাবে তৈরী কিনা? আর কিভাবে এদেরকে তৈরী করা হয়েছে সেই রহস্য বের করো। তুমি স্বর্গ নরকের সব সুবিধাই বোগ করতে পারো।

মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৬

এদের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে কে ভালো মানুষ বলে আপনার মনে হয়?

সুলেমান পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়। ওদিকে নারায়ন সকাল বিকাল পুঁজা করে। মাইকেল প্রতিদিন চার্চে যায়।
কিন্তু ডঃ হাই এরকম কিছুই করে না। তিনি পুরো সময় বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করে।

সুলেমান এবং নারায়নের মতো মাইকেলও দান করে ঈশ্বরের সন্তুষ্টি লাভের আশায়।
কিন্তু ডঃ হাই কোন প্রতিদানের আশায় দান করেন না। তিনি মানব দরদী মন থেকে দান করেন।

সুলেমান ভাবে নারায়ন, মাইকেল, ডঃ হাই ওরাতো নিশ্চিত জাহান্নামে যাবে। তারা আল্লাহকে মানে না তাই তারা নিকৃষ্ট জাতি।
নারায়ন ভাবে সুলেমান, মাইকেল, ডঃ হাই ওরাতো নিশ্চিত নরকে যাবে। তারা ভগমানকে মানে না তাই তারা নিকৃষ্ট জাতি।
মাইকেল ভাবে সুলেমান, নারায়ন, ডঃ হাই ওরাতো নিশ্চিত দোজকে যাবে। তারা গড এবং জেসাসকে মানে না তাই তারা নিকৃষ্ট জাতি।
কিন্তু ডঃ হাই এসব কিছুই ভাবে না। তার কাছে পৃথিবীর সব মানুষই সমান। সবাই মানবিক মানুষ।


এদের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে কে ভালো মানুষ বলে আপনার মনে হয়?

সোমবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৬

আমি সবাইকে মালু ডাকি এবং ডাকবো। কারণ সব মানুষই সমান।

আমাকে যখন হিন্দু মালু জিঙ্গেস করেছিল আমি কেন সবাইকে মালু বলে ডাকি। সবাইতো হিন্দুদেরকে মালু বলে গালী দেয় তাহলে আমি কেন সব ধর্মের মানুষকে মালু বলে ডাকি!
আমি বুঝতে পারি সে আমার কাছে অভিযোগ করছে না। এক ধরণের অভিমান থেকেই সে প্রশ্নটা করেছে। (অভিমানটা আমার উপর নয়।)
আমি উত্তরে বলি যে, আমার দৃষ্টিতে পৃথিবীর সব মানুষই সমান। আর তাই কোন মুসলমান বা কোন খ্রিস্টান যদি হিন্দুদের মালু বা মালুর বাচ্চা বলে গালি দেয় তবে আমার মানবতার অংশটি নাড়া দিয়ে উঠে। আমি মুসলমান বংশে জন্ম নিয়েছে বলে আমি মহামানব হয়ে যায়নি। আর তাই আমি কোন দিনই কোন হিন্দুকে মালু বলে গালি দেয়নি। উপরন্তু যদি কোন মুসলমান কোন হিন্দুকে মালু বলে গালি দিয়েছে তবে আমার খারাপ লেগেছে।
আমার কাছে যেহেতু পৃথিবীর সব মানুষই সমান আর তাই যদি হিন্দুরা মালু হয়ে থাকে তবে আমার কাছে পৃথিবীর সব আস্তিকদের মালু ভাবতে ভালো লাগে। একজন হিন্দু যদি মালু হতে পারে তবে একজন মুসলমানও মালু হতে বাধ্য। কারণ পৃথিবীর সবাই একই রকম, একই প্রকৃতির এবং সবার অধিকারই সমান। আর তাই আমি সব আস্তিক কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসীদেরকে মালু বলে ডাকি। আমার কাছে মুসলমান যেমন মানুষ তেমনি হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য আস্তিকরাও সমান। আর তাই যদি হিন্দুরা মালু হয়ে থাকে তবে মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সহ সব আস্তিকই মালু। তাই আমি সবাইকে মালু ডাকি এবং ডাকবো। কারণ সব মানুষই সমান।

রবিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৬

একজন কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসী ধার্মিকের গল্প।



আমি এক ধার্মিককে প্রশ্ন করেছিলাম, তুমি কেন তোমার ধর্ম পালন করো আর তোমার নিজের ধর্মকে সত্য ধর্ম মনে করো?
সে উত্তরে বলেছিল, আমার ধর্ম সত্যি কারণ আমার ধর্মগ্রন্থ সত্যি
আমি তাকে যখন পাল্টা প্রশ্ন করলাম, কেন তোমার এমনটি মনে হয়?
তখন সে বিরক্তি নিয়ে বললো- আমার ধর্মগ্রন্থটির প্রতিটি বাণীই সত্যি এবং বিজ্ঞানের যত আবিষ্কার তার সব গুলোই আমার ধর্মগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে
কিন্তু আমি যখন তার কাছে তার কথার প্রমাণ চাইলাম তখন সে তার ধর্মগ্রন্থের কিছু প্রাচীণ বাণী দেখালো আমি তাকে বললাম -তার এই ধর্মগ্রন্তের বাণীতে কোন বিজ্ঞানের আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে
তখন সে আমাকে কিছু বিজ্ঞানের আবিষ্কারের সাথে তার ধর্মগ্রন্থের কিছু প্রাচীণ আধো আধো বাণী দেখালো যেগুলোর অর্থ খুব সাধারণ এবং প্রাচীণ কিন্তু যখন আমি তাকে বললাম- তোমার ধর্মগ্রন্থে যে সব কথা লেখা আছে তার সাথে বিজ্ঞানের কোন আবিষ্কারের মিল তো নেইই বরং বিজ্ঞানের বিপরীত বা সাংঘর্ষিক কথা লেখা আছে
তখন ধার্মিকটি আমাকে তার ধর্মগ্রন্থে লেখা বাণীকে পরিবর্তন করে যেভাবে গ্রর্মগ্রন্থে লেখা আছে তার থেকে ভিন্ন অর্থ করে দেখালো বিজ্ঞানের সাথে তার ধর্মগ্রন্থের মিলগুলো
আমি তাকে জানানোর জন্য বললাম, দেখো তুমি যেভাবে ধর্মগ্রন্থের অর্থের পরিবর্তন করে ভিন্ন অর্থ এনে এবং ধর্মগ্রন্থের থেকে ভিন্ন ব্যাখ্যা হাজির করে তোমার ধর্মগ্রন্থকে পরিবর্তন করে বিজ্ঞানময় দেখাচ্ছ ঠিক একই ভাবে অমুক ধর্ম, তমুক ধর্মও তাদের ধর্মকে বিজ্ঞানময় দেখিয়েছে তাহলে তোমার ধর্মগ্রন্থ যদি সত্য হয়ে থাকে তবে তাদের ধর্মগ্রন্থও একই ভাবে সত্য তখন ধার্মিকটি কোন কারণ ছাড়াই মাত্রাতিরিক্ত রেগে গেল তার চোখ লাল হয়ে উঠলো এবং শেষে সে তার পকেট থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে আমার দিকে তাক করলো টিগার চাপার আগেই আমার প্রতিরক্ষা রোবট দুটো আমার সামনে দাড়িয়ে তাদের অস্ত্র বের করে ধার্মিকটিকে গুলি করে দিলো
আমি দেখলাম ধার্মিকটির দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে এদিকে সেদিকে ছড়িয়ে পরলো তার দেহ থেকে ছোট ছোট ইলেক্ট্রিক তার বেরিয়ে এসেছে মাথাটা দশ বারো হাত দুরে পড়ে রয়েছে দেহ থেকে আলাদা হওয়া মাথাটার নিচে দুটো মোটা ইলেক্ট্রিক তার পরস্পরের সাথে বারবার লেগে যাচ্ছে আর স্পার্ক করে আগুন বের হচ্ছে কিন্তু তার মুখ দিয়ে অনবরত বলে যাচ্ছে একটি কথা- আমার ধর্মগ্রন্থটিই একমাত্র সত্য সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত ধর্মগ্রন্থ আমার ধর্মই একমাত্র সত্য ধর্ম ...আমার ধর্মগ্রন্থটিই একমাত্র সত্য সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত ধর্মগ্রন্থ আমার ধর্মই একমাত্র সত্য ধর্ম.....
আমি ধার্মিক রোবটটির দিকে তাকিয়ে তার জন্য মায়া অনুভব করতে থাকি মনে মনে ভাবি - যদি পৃথিবীর প্রাচীণ মানুষ এসব কাল্পনিক মিথ্যে ধর্মগুলো আবিষ্কার না করতো তবে প্রতিদিন হাজার হাজার রোবটকে ধ্বংস করতে হতো না প্রাচীণ মানুষের প্রাচীণ খাম খেয়ালীর জন্যই মানুষের উপকারী আবিষ্কারটিকে ধ্বংস করে বিশাল আর্থিক ক্ষতি করতে হচ্ছে এই ক্ষতি পুষাণো মানুষের জন্য খুব কষ্টকর হবে
আমি সেই প্রাচীণ অজ্ঞ মানুষদের জন্য ঘুনা অনুভব করতে থাকি নিজের অজান্তেই

শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৬

আমিতো দোজকেই যেতে চাই। কারণ আমি ধর্মহীন মুক্ত চিন্তার অধীকারী।

থার্টি ফার্স্ট নাইট উৎযাপন করলাম। মদ খেলাম, আরো কিছু হারাম খাবার খেলাম। ধর্মে যেসব খাওয়া মহা পাপ সেসব হালাল করে নিলাম। কারণ আমি ধর্মহীন। মানবধর্মের অনুসারী আমি। তাই কাউকে ক্ষতি করে না এমন যেকোন কিছুই আমার জন্য হালাল। আমি ধর্মের হারামকে মানী না।।
কি শাস্তি হবে আমার? নরকে বা দোজকে যাব। আমিতো দোজকেই যেতে চাই। পৃথিবীর শ্রেষ্ট এবং জ্ঞানী মানুষেরা যাবে নরকে। আর তাই আমি দোজকে যেতেই চাই। গরু ছাগলদের সাথে থাকা মানুষদের সাথে স্বর্গে থাকাতে আমি মজা পাব না। তাহলে মূর্খদের স্বর্গে যেয়ে আমি কি করবো? বরং আমি যাব নরকে। পৃথিবীর শ্রেষ্ট এবং জ্ঞানী মানুষদের সাথে থাকতে পারাই আমার কাছে স্বার্থকতা। তাই আমি নরকেই যাব। কেউ আমাকে ফেরাতে পারবে না। কাল্পনিক ঈশ্বরও নয়। কারণ আমি ধর্মহীন মুক্ত চিন্তার অধীকারী।

শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৬

বছরটি হোক সত্যের কর্নধার ধর্মহীনদের।

ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা সবাইকে। গেল বছরের মত যেন মুক্তচিন্তকগণ কর্তৃক আগামী বছরটিও ধর্মের মুখোশ উন্মোচনে মুখর থাকে। নাস্তিকগণ এবং মুক্তমনের মানুষগণ যেন ধর্মের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস থেকে মানুষদেরকে মুক্ত করতে স্বার্থক ভূমিকা রাখতে পারে। নতুন বছরটিও যেন কুসংস্কারাচ্ছন্ন এবং অন্ধবিশ্বাসী আস্তিকদিগদের ১০০% স্বর্থকতার সাথে পরাজিত করণ অব্যাহত রাখতে পারে। মিথ্যার সংকলণ ধর্ম এবং ধর্মগ্রন্থের মৃত্য ঘটিয়ে বাস্তব জ্ঞান তথা বিজ্ঞানের সত্যের আলো জ্বালাতে পারে পৃথিবীর আনাচে কানাচে। যাতে মিথ্যার ধর্মের বাঁচার আর কোন পথ না থাকে। আমিন না বলে বলুন "চলো আমরা সত্য বানাই"।
আগামী বছরটি হোক সত্যের কর্নধার ধর্মহীনদের।

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫

সবাইকে অগ্রীম হ্যাপি নিউ ইয়ার।

আসছে ইংরেজী নববর্ষ উৎযাপনে সবাইকে আমন্ত্রন জানাচ্ছি। ধর্মহীনদের অনুষ্ঠান আছে কিন্তু কোন ধর্মীয় উৎসব নেই। তাই নাস্তিক মুক্তচিন্তাকারীদের সব ভালো উৎসবই তাদের ধর্মীয় উৎসব। আর এই উৎসব কোন প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মীয় উৎসব নয়। এটি মানবধর্মের উৎসব। তাই পৃথিবীর সব ভালো উৎসবই মানবতা ধর্মের অনুসারীদের নিজের উৎসব। আর তাই ইংরেজী নববর্ষকে আমরা গর্বের সাথেই উৎযাপন করবো। সবাইকে অগ্রীম হ্যাপি নিউ ইয়ার।

বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫

সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই দ্বিমূখী কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হয়।

ধর্মবেত্তাগণ প্রায়ই দাবী করে থাকে যে তাদের ধর্মগ্রন্থ সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত আর তাই তাদের ধর্মগ্রন্থে কোন ভূল বা পরস্পর বিরোধীতা নেই। কিন্তু সেই ধর্মের অন্ধবিশ্বাসী আস্তিকরা ছাড়া সবাই ওই ধর্মগ্রন্থটিতে অসংখ্য ভূল, মিথ্যাবাণী এবং পরস্পর বিরোধীতা দেখা যায়। যখন সেই ধর্মের অনিসারীদেরকে সেই ভূলগুলো দেখানো হয় তখন তারা বলতে থাকে ওসব বাণীতে কোন ভূল নেই। মানুষশুধু ওই বাণীগুলোর সঠিক অর্থ উৎঘাটন করতে পারে না। তারা বিশ্বাস করে ধর্মগ্রন্থে কোন ভূল নেই। এমন কি তারা ধর্মগ্রন্থের ভূলগুলো সংশোধন করতে ধর্মগ্রন্থের অভ্যন্তের বাক্যগুলোর অর্থের পরিবর্তন করে বিজ্ঞানের সাথে মিলিয়ে নতুন অর্থ করে নেয়। এভাবে নানা অপব্যাখ্যা হাজির করে তাদের ধর্মের সত্যতা দাবী করে থাকে। সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই কম বেশী এই প্রবণতা দেখা যায়। খুব অবাক করা ব্যাপারটি হলো সবগুলো ধর্মই তাদের ধর্মগ্রন্থকে এভাবে অর্থের এবং ব্যাখ্যার পরিবর্তন করে তাদের ধর্মগ্রন্থকে সত্য বলে দাবী করে। যদিও ধর্মগ্রন্থের অর্থের পরিবর্তন করে সেটার ভূলকে সংশোধন করার পর সেখানে ধর্মগ্রন্থের কৃতিত্বটা কতটুকু অবশিষ্ট্য থাকে সেটা ধার্মীকগণ বুঝতে চান না। সব ধর্মের ধার্মিকগণই একই রকম আচরণ করে থাকে।
অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো ধার্মিকগণ নিজেদের ধর্মগ্রন্থকে অর্থের পরিবর্তন করাকে খারাপ হিসেবে না দেখলেও ভিন্ন ধর্মের ধার্মিকদের ধর্মগ্রন্থের এমন পরিবর্তনকে ঘৃণ্য কাজ বলে মনে করে।
সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই এমন দ্বিমূখী কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হয়।

মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৫

আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ঈশ্বর এবং ধর্মের ভিত্তিহীনতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

ধর্মই যদি সব অন্যায় থেকে মানুষকে বিরত রাখতে পারতো তবে পৃথিবীতে এত
অন্যায় সংঘটিত হতো না। মানুষের মধ্য অপরাধ প্রবনতা ধর্ম বিশ্বাসী বা ঈশ্বর বিশ্বসীদের মধ্যেই বেশী। পরকালের কাল্পনিক নরকের শাস্তির ভয় এবং কাল্পনিক স্বর্গের লোভ যে কখনও অপরাধ সংঘটন রোধ করতে পারে না তার নজীর পৃথিবীতে অসংখ্য। পৃথিবীতে যত অপরাধ, সন্ত্রাসী কাজগুলো ঘটছে তার প্রায় সবগুলোই ঈশ্বর বিশ্বাসী ধার্মীকরাই করছে। এতে এটাই প্রমানিত হয় যে অপরাধ দমনে ধর্মের ভুমিকা শুন্য। আর সেজন্যই অপরাধ এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডগুলো আইন প্রয়োগ করে রোধ করতে হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ঈশ্বর এবং ধর্মের ভিত্তিহীনতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৫

মানুষেরাই (কাল্পনিক) সৃষ্টিকর্তাদের সৃষ্টি করেছে।

পৃথিবীতে এতো এতো ধর্ম বিদ্যমান কিন্তু কোন ধর্মের সাথেই অন্য ধর্মের মিল নেই। প্রত্যেকটি ধর্মই পরষ্পরের থেকে ভিন্ন ভিন্ন মতবাদে বিশ্বাস করে। পৃথিবীর এমন চতুর্মুখী ধর্মগুলো দেখলেই বোঝা যায় ধর্মগুলো মানুষই সৃষ্টি করেছে। সেই সাথে কাল্পনিক সৃষ্টিকর্তাকে মানুষ সৃষ্টি করেছে। আর এজন্যই একেক ধর্মের সৃষ্টিকর্তাগুলো একেক রকম। প্রাচীণকালে মানুষ যখন গোষ্ঠিতে গোষ্ঠিতে বিভক্ত হয়ে গেছে তখন তাদের আচার আচরণ এবং ঐতিহ্যের সাথে সাথে ধর্মগুলোও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে। আর সৃষ্টিকর্তাগুলোও ভিন্ন ভিন্ন রকমের হয়েছে। এর দ্বারা এটাই প্রমাণ করে মানুষের সৃষ্টিশীল বৈশিষ্ট্য দ্বারা মানুষই ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম এবং ভিন্ন ভিন্ন সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে। অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তা মানুষকে সৃষ্টি করেনি বরং মানুষেরাই (কাল্পনিক) সৃষ্টিকর্তাদের সৃষ্টি করেছে।

রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৫

ধর্ম বিলুপ্তির পথ ধরেছে এবং বিলুপ্ত হবেই।

মানুষ যখন স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে শুরু করলো তখন তাদের মধ্যে রাষ্টীয় ব্যবস্থাপনা শুরু হলো। ফলে মানুষের আমিত্ব স্বভাব থেকে সবাই রাষ্ট্র নেতা হতে চাইলো। তখনই রাজনীতির যাত্রা শুরু হয়। দেখা গেল যে ব্যক্তি ঈশ্বরের নির্বাচিত বলে নিজেকে দাবী করেছে সেই বেশী সংখ্যক মানুষের সমর্খন পেতে থাকলো। ফলে প্রকৃতিকে ব্যাখ্যার জন্য মানুষ যে ধর্মের সৃষ্টি করেছিল সেই ধর্মই সমাজ ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে পারছে। প্রাচীণকালে যখন মানুষ প্রকৃতিকে ব্যাখ্যা করার সঠিক মাধ্যম সম্পর্কে জানতো না তখন তারা ঈশ্বর নামের মহাজ্ঞান সৃষ্টি করেছিল। আর মানুষের সৃষ্টি করা কাল্পনিক ঈশ্বর দিয়ে তারা অনেক অজানা প্রশ্নের উত্তর পেতে থাকলো। যদিও সেই উত্তরগুলো সঠিক ছিল না তবুও ঈশ্বরের ধারণা তখনকার মানুষের মনের কৌতুহলকে মেটাতে পেরেছিল। কিন্তু সেসব প্রকৃতির ব্যাখ্যা যেমন এযুগের মানুষের কাছে হাস্যকর ঠিক তেমনি বিশ্বজগতের ব্যাখ্যায় সৃষ্টিকর্তার আমদানী এখন শুধু বাহুল্যই নয় বরং বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় প্রতিবন্ধক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। প্রাচীণকালে ঈশ্বর সম্পর্কিত কুসংস্কারগুলোই সে সময়ে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পেরেছিল রাজনৈতিক অপশক্তির হাত ধরে। আজও মানুষ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। আর এ কারণেই একবিংশ শতাব্দির বিজ্ঞানময় জগতে এসেও ধর্মের ভাইরাসটি সহি সালামতে টিকে আছে। ধর্ম মানুষকে এক সময় কিছুটা সভ্য হতে সাহায্য করেছিল ঠিকই কিন্তু এই ধর্মই মানুষকে বর্তমানে অসভ্য, বর্বর করে রেখেছে। মানুষ এখন অনেক উন্নত হয়েছে জ্ঞানে এবং মানে। আর তাই মানবিকতার হিসেবে অসভ্য বর্বর ধর্মের বিদায় নেবার সময় এসে গেছে। মানুষ এখন মানবিকতায় অনেক উন্নত। কিন্তু তবুও রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় ধর্মের মতো বর্বর ব্যবস্থা এখনও টিকে আছে। যখন মানুষ মানবিকতায় আরও বেশী উন্নত হবে তখন আর রাজনৈতিক অপশক্তি ধর্মকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবে না। ধর্মের মৃত্য ঘটবে মানুষ মানবিকতায় উন্নততর হলেই। যেহেতু মানুষ মানবিকতায় উন্নত হচ্ছে দিন দিন, তাই এ কথা চোখ বন্ধ করেই বলা যায় যে ধর্মের মৃত্যু অবশ্বম্ভাবী। ধর্ম বিলুপ্তির পথ ধরেছে এবং বিলুপ্ত হবেই।

শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৫

প্রার্থনা কি মানুষকে শান্তি দিতে পারে?

আমার মন কোন ক্রমেই শান্তি পায় না যতক্ষন আমি প্রার্থনা না করি। এমন দাবী প্রায় সব আস্তিকই করে থাকে। কিন্তু আমি নাস্তিক হওয়ার দরুণ প্রার্থনায় আমার কোন প্রশান্তি আসে না। বরং প্রার্থনা করতে আমার প্রচন্ড বিরক্তি লাগে। অথচ আমি যখন আস্তিক ছিলাম তখন আমারও প্রার্থনায় প্রশান্তি মিলতো। এমন কি প্রার্থনা না করলে আমার মধ্যে এক ধরনের অশাান্তি কাজ করতো। অথচ এখন নাস্তিক হবার পরে আর সে ধরণের অশান্তি হয় না। বরং প্রার্থনা করে সময় অপচয় করলে আমার এক ধরনের অশান্তি হতে থাকে।
এটার একটি যৌক্তিক কারণ আছে। শৈশব থেকে মানুষ প্রার্থনা করার সুফলের কথা এবং না করলে কুফলের কথা শুনিয়ে মানুষকে সে বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হয়, এই বিভ্রান্তিটিই প্রার্থনায় প্রশান্তির কাজ করে। কিন্তু সেই মানুষটিই যখন এসমস্ত কুসংস্কার থেকে বের হয়ে আসে তখন আর এই পদ্ধতিটি আর কাজে দেয় না। প্রার্থনার প্রশান্তির কারণটি হলো যে খুব ছোট থাকতেই মানুষকে এক ধরনের কাল্পনিক পরকালিক অশান্তি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ফলে সব সময়ই মানুষটি সেই কাল্পনিক পরকালিক যন্ত্রনা পেতে থাকে নিজের অজান্তে। ফলে প্রার্থনা করলে সে প্রশান্তি পায় আর না করলে অশান্তিটি গাড় হয়। কিন্তু যারা নাস্তিক হয় তারা ইতিমধ্যে সেই পরকালিক কষ্ট থেকে মুক্তি পায় বলে প্রার্থনা না করেও সে খুব সুখি থাকে এমনকি সে প্রার্থনা করেই বরং সেই অশাান্তিটি ভর করে।
আর তাই নাস্তিকদের কোন ধরনের পরকালিক অশান্তি নেই বলে সে প্রার্থনায় বিরক্তি বোধ করে।

আমরা সবাই প্রকৃতির সন্তান।

পৃথিবীতে প্রচলিত যত সৃষ্টিকর্তা রয়েছে তার সবগুলোর মধ্যেই প্রাচীণ রাজাদের বর্বর চরিত্রগুলো উঠে এসেছে। সব সৃষ্টিকর্তাই রাজাদের মত করে চিন্তা করে। রাজাদের মতো তুষামোদে খুশি হয়। কথার অমান্য করলে অমানুষিক শাস্তি দেয়। চাটুকারীতায় খুশি হওয়া এবং অসীম ক্রুধ সৃষ্টিকর্তাদের মানুষে পরিণত করে। আর তাই পৃথিবীর প্রচলিত কোন সৃষ্টিকর্তাই সত্যি নয়। এগুলো প্রাচীণ মানুষের দ্বারা সৃষ্টি হওয়া কিছু কাল্পনিক চরিত্র মাত্র।
যদি একজন সৃষ্টিকর্তা সত্যিই থেকে থাকে তবে সেটি শুধুমাত্র এবং কেবলমাত্র প্রকৃতি। প্রকৃতিই বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রকৃত সৃষ্টিকর্তার মর্যাদা পেতে পারে। বিশ্বজগতের সব কিছুকে প্রকৃতিই সৃষ্টি করেছে। আবার প্রকৃতি নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বজগতে যা কিছু রয়েছে তার সব কিছুই প্রকৃতির মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতি কোন চিন্তাশীল স্বত্বা নয়। তাই প্রকৃতি কোন পরিকল্পনা করে কিছু করে না। প্রকৃতি তার নিজের বৈশিষ্ট্য এবং নিজ ধর্মের দ্বারা পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত এবং রুপান্তরের মাধ্যমে এই বিশ্বজগত সৃষ্টি করেছে। বিশ্বজগত নিজেই যেমন পৃকৃতির সৃষ্টি আবার এই বিশ্বজগত নিজেই প্রকৃতি। প্রকৃতিই পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত এবং রুপান্তরিত হয়ে এই বিশ্বজগত সৃষ্টি করেছে। 
আর আমরা সবাই প্রকৃতির সন্তান।

শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫

ধর্মগুলো মানুষেরই তৈরী করা।

পৃথিবীর সব ধর্মই তৈরী হয়েছে প্রাচীণকালে। ফলে প্রাচীণ মানুষের ধ্যাণ ধারণাগুলো সব ধর্মেই বিদ্যমান। আর তাই ধর্মগ্রন্থগুলোতে এতো এতো ভূল, প্রাচীণ ধ্যাণ ধারণা, প্রাচীণ নিয়ম নীতি  এবং প্রাচীণ আচার আচরণ বর্ণিত হয়েছে। এক কথায় ধর্মগুলো প্রাচীণ বলে এর নিয়মগুলোও খুব প্রাচীণ পাওয়া যায়, অপরদিকে ধর্মগ্রন্থগুলো প্রাচীণ ঐতিহ্য বয়ে নিয়ে যায় এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে। ঠিক একই কারণে ধর্ম এবং ধর্মগ্রন্থগুলোকে যারা অন্ধের মতো অনুসরণ করে চলে তারা থেকে যায় প্রাচীণ বর্বর যুগে।
প্রক্ষান্তরে ধর্মগ্রন্থগুলো প্রাচীণ মানুষের লেখার কারণেই আমাদের বুঝতে সুবিধা হয়েছে যে ধর্মগুলো মানুষেরই তৈরী করা।

বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৫

তিন মালুর গল্প।

মুসলমান মালু হিন্দু মালু কে বললো- আমার ধর্ম একমাত্র সত্য ধর্ম। পৃথিবীর আর কোন ধর্মই সত্য নয়।
হিন্দু মালু প্রতিবাদ করে বলে উঠলো- অসম্ভব! আমার ধর্মই পৃথিবীর এক মাত্র সত্য ধর্ম।
খ্রিস্টান মালু দাঁত কেলিয়ে হেসে বললো- তোদের কারো ধর্মই সত্য নয়। একমাত্র আমার ধর্মই পৃথিবীর একমাত্র সত্য ধর্ম।
খেঁকিয়ে উঠলো হিন্দু মালু এবং মুসলমান মালু। এক সাথে বলে উঠলো- চুপ থাক!
মুসলমান মালু বললো- আমার ধর্ম সত্য এটার প্রমাণ হলো কুরআন। আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কেউ কুরআনের একটা আয়াতকেউ মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেনি। আর তোদের বেদ, বাইবেলের ভূল আমি বের করে দিয়েছি।
হিন্দু মালু প্রতিবাদ করে বললো- অসম্ভব! আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কেউই বেদ-গীতার একটা কথারও ভুল ধরতে পারেনি। তোদের কুরআন, বাইবেলের অসংখ্য ভূল আমি নিজে বের করে দিয়েছি।
খ্রিস্টান মালু আগের মতই দাঁত কেলিয়ে বলে উঠলো- তোরা যে যাই বলিস না কেন, একমাত্র আমার ধর্মই সত্য। কারণ বাইবেল হলো পৃথিবীর একমাত্র সত্য গ্রন্থ যার একটা ভূলও আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোন মানুষই বের করতে পারেনি। আর তোদের কুরআন, বেদের অসংখ্য ভূল আমি নিজে বের করে দিয়েছি।

দুরে দাড়িয়ে নাস্তিক মালু মুসলমান, হিন্দু এবং খ্রিস্টান মালুদের কথা শুনছিল। মনে মনে ভাবলো ওদেরকে কিছু বুঝাবে। পরক্ষনেই মত পাল্টালো। কি লাভ ওদের বুঝিয়ে? অন্ধবিশ্বাসী কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষগুলো কি সত্য মানুতে চাইবে? উল্টো পথে হাটা শুরু করলো নাস্তিক মালু।

বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৫

একমাত্র ধর্মহীন নৈতিকতা বোধই মানুষকে নীতিবান বানাতে পারে।

ধর্মগুলো যেহেতু মানুষকে লোভ এবং ভয় দেখিয়ে ভালো কাজ করাতে চায় ফলে সব ধার্মিকই শৈশব থেকে শিক্ষা পেয়ে আসে যে পরকালে বেহেশ্তের অসীম সুখ পেতে হলে এবং পরকালে শাস্তি থেকে বাঁচতে হলে ধার্মিক হওয়া ছাড়া আর কো উপায় নেই। ফলস্বরুপ তাদের অবচেতন মনে লোভ এবং ভয় উৎপন্ন হয় আর যা কিছু করে সব লোভ এবং ভয় থেকে করে। কিন্তু প্রকৃত নৈতিকতাবোধ কখনই লোভ বা ভয় থেকে হওয়া উচিত নয়। যেখানে সব কিছুর পেছনে লোভ এবং ভয় কাজ করে সেখানে নৈতিকতার জায়গাটা অবশিষ্ট থাকে কোথায়?
এজন্য আস্তিকরা লাভ ছাড়া কোন কাজ করতে চায় না। পূন্য পাওয়ার লোভটাই এক সময় মানুষকে সুদ ঘুষ খাওয়ার দিকে পরিচালিত করে। আস্তিকরা যেহেতু কোন প্রতিদান পাওয়া ছাড়া কোন কাজ করার কথাই চিন্তা করতে পারে না (কারণ তারা শিখে আসে ভালো কাজ করলে পুণ্য পাওয়া যায় আর পুন্যের মাধ্যমে স্বর্গ কেনা যায়।)তাই তারা মানুষের উপকারের পেছনে খুজে পুন্য বা সুদ ও ঘুষ।
ধর্ম কখনই মানুষকে ভালো নৈতিকতা শিক্ষা দিতে পারে না। একমাত্র ধর্মহীন নৈতিকতা বোধই মানুষকে নীতিবান বানাতে পারে।