Translate

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৫

জন্ম সুত্রে পাওয়া ধর্ম-কর্ম প্রাণ দিয়ে বিশ্বাস করাতে নিজেদের কৃতিত্বটা কোথায়?



বাপ-দাদার ধর্ম উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত হয়ে যারা নিজেদেরকে শ্রেষ্ট ধর্মের শ্রেষ্ট মানুষ ভেবে সুখ পান তারা কি কখনও ভেবে দেখেছেন জন্ম সুত্রে পাওয়া ধর্ম-কর্ম প্রাণ দিয়ে বিশ্বাস করাতে নিজেদের কৃতিত্বটা কোথায়? পিতা-মাতার দ্বারা মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া ধর্মগুলো অন্ধের মতো মেনে চলে নিজেদেরকে রোবট পর্যায়ে নিয়ে যেয়ে, নিজেকে শ্রেষ্ট ধর্মের শ্রেষ্ট অনুসারী ভাবাতে শ্রেষ্টত্বটা কোথায়?
মধুর বোতল যদি নিজেকে বিয়ারের বোতলের থেকে শ্রেষ্ট মনে করে এটা ভেবে যে তার মধ্যে মধু আছে যা বিয়ারের চেয়ে ভালো তবে এখানে বোতলের নিজের কৃতিত্বটা কোথায় থাকলো? বোতল তো নিজে আর মধু নেয়নি, তার মধ্যে অন্য কেউ মধু ঢেলে দিয়েছে তাহলে মধুর বোতল বিয়ারের বোতলের চেয়ে শ্রেষ্ট হয় কি করে? এখানে বোতলের কি নিজের কোন কৃতিত্ব আছে?  

মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৫

নিজেদেরকে শ্রেষ্ট ভেবে পরকালের সুখ কল্পনা করে ধার্মিক জীবন যাপন করে জগতের কোন উপকারই সাধিত করা যায় না।



প্রকৃতির অনন্য দান বুদ্ধিমান প্রাণী বিশ্বজগতের যেকোন উপযুক্ত স্থানে উপযুক্ত পরিবেশে প্রাণী বা জীবের আবির্ভাব ঘটতে পারে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বিধি মোতাবেক কিন্তু তাই বলে সেই জীব বা প্রাণী যদি নিজেদেরকে শ্রেষ্ট ভেবে বসে থাকে সেটা কোনই সুফল দিবে না আর তাই মানুষ শ্রেষ্ট এটা ভেবে যারা আত্মতৃপ্তি পান তারা নিজেদের দুর্বলতাকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করেন মাত্র মানুষ জানে যে সে প্রকৃতিতে তুচ্ছ, বড়ই তুচ্ছ প্রকৃতি তাদেরকে কিভাবে অন্য তুচ্ছ প্রাণী বা জীবের কাতারে রেখেছে সেটা সাম্প্রতিককালে মানুষ জানতে পারছে বিশ্বজগত এতো বিশাল যার তুলনায় মানুষ খুবই নগন্য
নিজেদেরকে শ্রেষ্ট ভেবে, সৃষ্টিকর্তার প্রিয় পাত্র কল্পনা করে, পরকালের জান্নাতের আশায় যারা দিনযাপন করছে তারা মাতালের কাল্পনিক জগতে বাস করছে মাতাল যেমন কাল্পনিক সুখ অনুভব করে ধার্মিকরাও তেমনি পরকালের কাল্পনিক সুখের কল্পনা করে শান্তি পায় এগুলো কাল্পনিক সুখ যার বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নেই সাময়িক প্রশান্তি ব্যাতিত
নিজেদেরকে শ্রেষ্ট ভেবে পরকালের সুখ কল্পনা করে ধার্মিক জীবন যাপন করে জগতের কোন উপকারই সাধিত করা যায় না

শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৫

সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই এই পরস্পর বিরোধী আচরণ দেখা যায়।



ধার্মিকগন মনে করে, এমনকি বিশ্বাস করে যে তাদের ধর্মগ্রন্থটিই একমাত্র সত্য ইশ্বর কর্তৃক প্রেরিত ঐষীবাণীসব ধর্মের আস্তিকদের মধ্যে একটি অভিন্ন প্রবণতা লক্ষ করা যায়, তারা তাদের ধর্ম বাদে বাকী সব ধর্মের এবং ধর্মগ্রন্থের অযৌক্তিকতা, অসাড়তা এবং ভূলগুলো ধরতে পারেএক্ষেত্রে তারা খুব যুক্তিবাদীকিন্তু সমস্যাটা বাধে তাদের নিজের ধর্মের বেলায়তারা সব ধর্মের ধর্মগ্রন্থগুলোতে নানা অযুক্তি এবং অবিজ্ঞান দেখতে পেলেও নিজের ধর্মগ্রন্থগুলোর বেলায় পুরোপুরি অন্ধের মত আচরণ করে
সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই এই পরস্পর বিরোধী আচরণ দেখা যায়